বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ভিশন – ২০৩০
# জনমিতিক লভ্যাংশ
দফা – ৬৯
মানবসম্পদ উন্নয়নের লাক্ষা পরিবর্তন আনতে হবে জনগোষ্ঠীর চিন্তার জগতে। দেশের তরুণাদরাক নন-টেকনিক্যাল Diploma Disease’ থেকে মুক্ত করতে হবে। অভিরুচি, সামর্থ্য, কাথা ও বাজার-চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষার সেক্ষত্রে বৈচিত্রা আলাত হবে: মেশাগত ও কারিগরি শিল্পार, প্রকৌশল বিদ্যা, চিকিৎসা বিদ্দা, বিজ্ঞান শিল্পান ও বিজ্ঞানের বিভিন্ন মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণা, শত শত ধরনের ট্রেড ও দেশার জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচী মানবসম্পদকে বিকশিত করাত প্যার। ট্রেড ও পেশা যেমন রাস্তার, ফিটার, ইলেক্ট্রিশিয়ান, ইলেকট্রনিক মেকানিক, হেলথ টেকনিশিয়ান, নার্স, মাস্টার-টেইলার্স, ফ্যাশন-ডিজাইনার, কৃষি-যন্ত্রনারি মেরামতকারী, লেদ-অনারেটর, গার্মেন্টস যন্ত্রপাতি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণকারী, ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিনারিজ মেকানিক ও ইঞ্জিনিয়ার, হসপিটালিটি-সার্ভিস, হাউজ কিপিং, আসবাব পত্র ডিজাইনার, চারু ও কারু শিল্প, ম্যাসনরি, রড-বাইন্ডার, তুমি সার্ভেয়ার, রেল ওয়ার্কगम টেকনিশিয়ান, যানবাহন-মেকানিক, মোটর ড্রাইডিং, ব্রিন্টিং টেকনোলজিস্ট, মোবাইল টেলিচাচার ও কম্পিউটার টেকনিশিয়ান ইত্যাদি। এর জন্য প্রায়োজন হরে গুণগতভাবে উন্নত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা। এর সমান্তরালে সকল নাদিয় শিক্ষকদের মানও উন্নত করতে হবে। এর জন্য প্রণয়াজনে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশী বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ ও অধ্যাপকদের সহায়াগিতাও গ্রহণ করতে হবে। সকল ধরনের ট্রেড ও পেশার শিক্ষার মান উন্নতকরন এবং সলমায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রতিষ্ঠানও গাড় তুলতে হবে। মানবসম্পদ উন্নয়নে সরকারী ও বেসরকারী প্রাতকে দক্ষতার সংগ কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তি ও কারিগরি ইন্সটিটিউটগুলোর ইন্সট্রাক্টর ও ট্রেইলারদের বিশেষ আর্থিক সুবিধা ও অনাবিধ সুযোগ সুবিধা প্রদান করে এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের Corporate Social Responsibility কর্মসূচীর সিংহভাগ মানবসম্পদ উন্নয়নে ব্যয় করাত উৎসাহিত করতে হবে। জনমিতিক ক্রান্তিকালের মূল কৌশল হবে সঞ্চয় ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধানে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি এবং তাদের জন্য বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে আকর্ষণীয় কর্ম-বাজার সৃষ্টি। ফ্রয়োজন শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ও বিজনেস ফার্মের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা। অগ্রসর জ্ঞান, প্রযুক্তি, তথ্য প্রযুক্তি ও শিক্ষার মাধ্যমে মানব সম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন করা ও কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা। মানবসম্মম্মাদ উন্নয়নে অণুক্ত জ্ঞান (tacit linowledge), মইয়াগিক জ্ঞান, ভাত্ত্বিক জান, প্রায়োগিক ও তাত্ত্বিক গাবষণাসহ সব ধরনের জ্ঞান চর্চার মধ্যে ভারসাম্য অজন করার হাব। বাংলাদেশকে একটি উন্নত, মর্যাদাশীল জাতি হতে হলে জনমিতিক ক্রান্তিকালের লভ্যাংশ অর্জনের বিকল্প কিছু নেই। জনমিতিক লভ্যাংশ অর্জনই হবে বিএলসি’র অন্যতম অগ্রাধিকার।